ভোর তিনটাকে কি কাক ডাকা ভোর বলা যায়??হয়ত যায় । হয়ত না । তবে আর যাই হোক কারো এত সকালে উঠতে ভাল লাগার কথা না ।অন্তত আমার লাগে না । সাধে কি উঠি ? মোবাইল ফোনের জ্বালায় ঘুমানোর উপায় আছে??বালিশ চাপা দিয়ে রেখেছিলাম । কিন্তু কি আর করব বলেন ?আজকালকার
vorer alo
মোবাইল ফোন কোম্পানী গুলো বোধ হয় ইচ্ছে করেই সিম কোম্পানী গুলোর সাথে চুক্তি করে এমন মোবাইল বানিয়েছে,যাতে একটা ফোন কলও মিস না হয় । তা না হলে কি আর এত জোরে ওইটুকু একটা যন্ত্র থেকে শব্দ বের হয়??হতে পারে????
ধুত্তোর বলে ফোনটা কেটে দিলাম । এরপর বারবার ফোন আসতেই থাকল ।ফোন আসে আর আমি কাটি । আসতেই থাকল একটার পর একটা ।এসবের কোন মানে হয়?কোথায় জানি পড়েছিলাম ঘুমন্ত মানুষের চাইতে নিষ্পাপ কোন শিশুও নয় । আরে অদ্ভুত তো ! মানুষ ঘুমাইলে পাপ করবে কখন ? আর পাপ না করলে তো নিষ্পাপই থাকবে নাকী??মাঝে মাঝে এরকম কিছু পাগল দেখা যায় । যাই হোক এই পাগলের হিসাব অনুযায়ী আমি নিষ্পাপ । মানে এতক্ষণ ছিলাম আর কি! কিন্তু এ তো মনে হচ্ছে নিষ্পাপ থাকতে দিবে না। ফোনটা রিসিভ করলাম ।
ভাই আপনি যদি দেশের প্রেসিডেন্টও হন,তবু আমি আপনার সাথে কথা বলব না । এমনকি আপনি যদি দাবি করেন আপনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাক্ষাত খালাতো ভাই তাহলেও আমি আপনের সাথে কথা বলতে পারব না। রাখলাম ।বলে তাকে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়েই ফোনটা কেটে দিলাম ।
একটানা এতগুলো কথা বলে হাঁপিয়ে গেলাম কিছুটা ।পানি খেতে হবে । ঢক ঢক করে এক গ্লাস পানি খেয়ে ফেললাম ।খেতে খেতে একটা জিনিস আমি খেয়াল করলাম ।মানুষ যখন পানি খায় তখন আসলে ঢক ঢক শব্দই হয় । বাংলায় এমন মিল বিরল ।ধরেন আমি বললাম গরু হাম্বা হাম্বা করে, আসলে কি তাই???কোন পাগলে বলছে গরু হাম্বা হাম্বা করে???কেউ কখনো কোন গরুকে হাম্বা হাম্বা করতে শুনেছেন?? আমার তো মনে হয় না ।যত্তসব !গাঁজাখুরি কথা বার্তা !এগুলাকে সকাল বিকাল থাপড়ানো দরকার ।খুব ঘুম পাচ্ছে আমার,এদিকে মুঠোফোনটাও রেহাই দিল মনে হয় । সামনে লম্বা দিন পরে আছে ।
ঘুমাতে হবে আমাকে ।অনেক অনেকক্ষণ ঘুমাতে হবে । জেগে থাকলে চলবে না ।জেগে থাকা মানেই এখন সময়ের অপচয়!
ঘুমাবার জন্য চোখ বুজবার আগে একবার ঘড়িতে চোখ বুলিয়ে নিলাম । ৩ টা ৩০ এর মত বাজে । যেই ফোন করুক না কেন,আমার জীবনের মূল্যবান আধা ঘন্টা খেয়ে ফেলেছে । আল্লা অবশ্যই তার বিচার করবেন ।আমি দোয়া করলাম তার জীবন থেকে যেন ৩০০ ঘন্টা মুছে যায় । হুহ!আমার সাথে এদিক সেদিক!
সকাল ঠিক ৮ টার দিকে ঘুম ভাঙল ।তার মানে হইল আজকে সারাদিনে আমি ঘুমাইছি ৩+৪.৩০ ঘন্টা । মানে ৭.৩০ ঘন্টা । কোথায় জানি পড়েছিলাম একজন মানুষের ছয় ঘন্টার বেশি ঘুমানো উচিত নয় ।সে তুলনায় আমি নিজের জীবন থেকে ১.৩০ ঘন্টা নিজেই নষ্ট করলাম! এসবের কোন মানে হয়???উঠে পড়ি । আমার অনেক কাজ । বিছানা গুছিয়ে মোবাইল টা হাতে নিয়ে দেখলাম,আন নোউন নাম্বারের ম্যাসেজ,ফোনটা সাইলেন্ট করে রাখলেই তো হয়!আমি তো ডেইলি ফোন দিব এমন টাইমে । নাহ !আজকেই এর একটা হেস্তনেস্ত করতে হবে ।দেখি ফোন করে,কে ডিস্টার্ব করতেসে ।
কত্তবড় সাহস আমাকে জ্ঞান দেয়!তোমার কোন জ্ঞানই আমি শুনছি না ।আমার ফোন আগে যেমন ছিল তেমন ই থাকবে ! তোমার কথায় আমি তো দীর্ঘদিনের মোবাইল সেটিংস চেইঞ্জ করতে পারি না ।
ফোন দিলাম ।
ধুসসশালা! ফোন বন্ধ করে রাখছে !বিরক্তিকর লোকটা কে তা জানা হল না ।আসলে আমার সাথে আগেও এমন হয়েছে । রাত ২ টার দিকে কে জানি ফোন দিয়ে বলে এটা কি ফায়ার সার্ভিস??কেমন লাগে বলেন?বুদ্ধিমান কেউ হইলে নিশ্চয়ই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে বলত-না এইটা পুলিশ স্টেশন । তুমি কই আছ চান্দু???তোমার ফোন নাম্বার তো ট্র্যাক করে ফেলেছি ।
আমার তো এত বুদ্ধি নাই,তাই ফাইজলামি করছে জেনেও আমতা আমতা করতে লাগলাম ।না আসলে ভাই এইটা ফায়ার সার্ভিস না । ঘুম থেকে উঠে এমন কাজ কারবার দেখে মেজাজ গরম হওয়াটাই স্বাভাবিক । তারপর থেকে আমি রাতের বেলা আন নোউন নাম্বার তো বটেই,কারো ফোনই ধরি না । না এখন তো আর ধরি না বলা যাবে না । কালকে তো ধরেই ফেলেছি !
ভার্সিটির গাধা ছেলেগুলোর একটি আমি । না আমি পড়াশুনায় খারাপ না । তবে পড়াশুনা ছাড়া আর কিছুই পারি না । আমি নিহালের মত গিটার বাজাতে পারি না । আমি রায়হানের মত লম্বা চুল রাখতে পারি না । আমি শফিকের মত এত কথা বলে কাউকে হাসাতে পারি না ।আমি অমির মত ভাল ক্রিকেট খেলতে পারি না । আমি চৈতীর মত রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইতে পারি না । আমি সাইকোর (আমার সন্দেহ এই নামটা ও নিজেই রাখসে ) মত মেয়ে পটাতে পারিনা ।এমনকি ভার্সিটির কেউ আমার কাছে পড়াও বুঝতে আসে না ।গ্রুপ ওয়ার্কের সময়ও খুব দরকার না হলে কেউ আমার সাথে কথা বলে না ।এমনকি ক্লাসের স্যাররাও সম্ভবত আমার সঠিক উত্তর শুনলেও বিরক্ত হয় । কেন জানি না ।এজন্যে আমি উত্তর জানা থাকলেও এখন আর কোন স্যারের প্রশ্নের জবাবে হাত তুলি না ।
হয়ত আমার গরীব চাল চলনে ওদের অনেক সমস্যা ।কিন্তু আমি তো আর ওদের মত বড়লোক বাবা মায়ের ছেলে না ।অনেক কষ্ট করে আমাকে লেখা পড়া করতে হয়েছে ।আমার বাবা মা নেই ।ছোট বেলায় বাবা কে দেখি নাই । একটু বড় হতে গিয়ে দেখি মাও নেই ।আমাদের সাথে বাবার এক ভাই থাকত তার ফ্যামেলি নিয়ে আমাদের বাসায়।মা মারা যাবার পর আমার খুবই অবহেলা হচ্ছিল ।ওরা আমাকে চাকর বাকরের মত বানিয়ে ফেলেছিল । এমনকি চাচার ছোট ছোট ছেলে মেয়ে গুলাও আমাকে চাকর ভাবত ।
এভাবেও কেমনে কেমনে জানি ভাল রেজাল্ট করে ফেললাম । আমাকে ভার্সিটিতে ভর্তি করতে পেরে(স্কলারশিপ পাওয়াতে পড়তে পারছি) বোধ হয় চাচা হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন ।সেই থেকে আমি একা । একেবারেই একা। এমনকি রিকশা ওয়ালারাও আমাকে নিতে চায় না তাদের রিকশায় । আমি ডাকলেই যেন তাদের ডিরেকশন বদলে যায় । আমার তো মনে হয় পারত পক্ষে আমার ছায়াও কেউ মারাতে চায় না ।বিষয়টা কি আমার চেহারায় নাকি জানার জন্য আমি ঘন্টার পর ঘন্টা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকি ।নাহ চেহারা তো তেমন একটা খারাপ না । তাহলে সমস্যাটা কোথায় ? এসব ভাবার এখন সময় নাই , ক্লাস আছে ।যেতে হবে ।সেই বোরিং ক্লাস । বোরিং একটা দিন । এভাবেই এতকাল চলে আসছে,চলতে থাকবে ।

কিন্তু আজকের দিনটা আসলেই অন্যরকম মনে হচ্ছে । কেন জানি না,কিছু জিনিস অদ্ভুত লাগল । কি জানি চোখের ভুলও হতে পারে । ক্লাসে একটা নতুন মেয়ে এসেছে । খুব সুন্দরী ।বেশ ভালই মনে হচ্ছে,মানে আমার সাথে ভাল তা না,আমি ছাড়া আর সবার সাথেই সে ভাল । যেচে পড়ে আমি কারো সাথে কথা বলতে যাই না । ও ও দেখলাম আমার সাথে কথা বলার ব্যপারে তেমন আগ্রহী না । তাছাড়া ক্লাসের আর সবার সাথেই সে বেশ হাসি খুশি ।হাসি ঠাট্টায় মজেই আছে সারাদিন । ভাল তো! আজকে একটা জিনিস দেখলাম,কাউকে হাসতে দেখলে অটোমেটিক মুখে একটা হাসি চলে আসে ।

একটা মানুষ কতক্ষণ হাসতে পারে বলে মনে হয় আপনার?জানি না । তবে সত্যি সত্যি হাসি কিন্তু সংক্রামক । আপনি কোন মানুষের উপর রেগে থাকতে পারবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত,যতক্ষণ না তার মুখ থেকে হাসির রেশ মুছে যায় ।এত কিছু জানি না,এমুহুর্তে এই মেয়েটার হাসি দেখে আমারো খুব হাসতে ইচ্ছা করছে ।কিন্তু আমি তা পারব না ।তাই প্রাণ পণ চেষ্টা করলাম যেন কেউ আমার হাসি না দেখে । তবে যতক্ষণ ক্লাসে ছিলাম সারাক্ষণ ঐ মেয়েটার দিকে আমার চোখ আটকে ছিল । দুই একবার ধরাও খেলাম । লজ্জাই লাগল । ক্লাস শেষে ফিরতে ফিরতে বারবার কেন জানি ওর কথাই মনে পড়তে লাগল ।মেয়েটার নামও জানতে পারলাম না ।আসলে ওর বন্ধুরা হয়ত ওকে ডেকেছিল নাম ধরে । কিন্তু আমি এতটাই অন্যমনস্ক ছিলাম যে নামটা ঠিঙ্ক মত

রাতের বেলা আমি সাধারণত একটু পড়াশুনা করি ।একটা জিনিস আমি খেয়াল করলাম,যার কোন কিছু নিয়ে ভাবনা নাই,সে কিন্তু সব কিছুই ভাল মত মনোযোগ দিয়ে দেখতে পারে ।সেহেতু আমার পড়াশুনাটাও হয় ভাল । কিন্তু আজকে মনই বসাতে পারলাম না । সারাক্ষণই মোটামুটিভাবে ওর কথা ভাবছি ।তবে এও জানি আমি কোন লাভ নাই ।তাই পড়া থেকে উঠে গিয়ে ১৪ ইঞ্চির সাদা কালো টিভিটা ছাড়লাম ।
রাতে ঘুমাতে গিয়ে শুয়ে শুয়ে চিন্তা করলাম অনেক কিছু । আসলে প্রতিটা মানুষের জীবনেরই অনেকগুলা গল্প থাকে । কিন্তু কোন মানুষই নিজের জীবনের গল্প গুলোকে গল্প মনে করে না । অন্যের জীবনের গল্প গুলাই তার চোখে গল্প হিসেবে ধরা দেয়। নিজের ক্ষেত্রে তার মনে হয় হুম এটাই তো স্বাভাবিক । কিন্তু যখনই সে অন্য কারো জীবনের দিকে তাকাবে,নিজের জীবন টাকে তার পানসে বলে মনে হবে । কিন্তু নিজের জীবনের মাঝে যে তার অনেক ইন্টারেস্টিং গল্প জমে আছে তার দিকে তার খেয়ালই থাকে না । ছোট বেলায় প্রায় ই একটা ভাব সম্প্রসারণ করতাম।

''নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস,
ওপারেতে সর্ব সুখ আমারো বিশ্বাস ।''

এই বিশ্বাস জিনিসটা আসলে অনেক বড় একটা জিনিস ।বহুত কষ্ট করে অর্জন করার পর তা হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায় না। যেমন দশ বছর ধরে কাজ করে একজন কর্মচারী তার মালিকের আস্থা অর্জন করল । কিন্তু লোভের বশবর্তী হয়ে দশ হাজার এক তম দিনে দশ হাজার টাকা চুরি করল । প্রমাণ হয়ে যাওয়ার পরে .........
দশ বছরের বিশ্বাস একদিনে নষ্ট হতে বেশি সময় লাগে না । তাই বিশ্বাস আমার কাছে খুবই ঠুনকা লাগে ।নিজের চাইতে আমি কাউকে বেশি বিশ্বাস করি না ।
এসব উচ্চ মার্গের কথাবার্তা ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়লাম ।
আবারো ঠিক তিনটার সময় ফোন বাজল ।আজকেও ধরব না । ধরব না ধরব না করতেও ধরে ফেললাম । এবার দিলাম আরেক ঝাড়ি । সবসময় এগুলা কি পাইছেন আপনি? ফোনের অপর প্রান্তে কোন কথা শুনতে পেলাম না। পেলাম ভারী নিশ্বাসের শব্দ । কিছুক্ষণ পর ফোন কেটে দিল ।
কোত্থেকে যে এগুলা আসে?যত্তসব । মানুষের কি বিবেক বলতে কিচ্ছু নাই ?আমি তো কারো কোন ক্ষতি করি নাই! হোয়াই অলওয়েজ মি?
কিছুক্ষণ পর একটা ম্যাসেজ পেলাম ।
দুঃখ বুকে জড়িয়ে তোমায় দিয়ে দেব অবাধ সুখ
চাইনা কোন মিছে আশা
ভেঙ্গে দিয়ো না নিষ্পাপ বুক!!

এধরনের অস্বাভাবিক কোন ম্যাসেজ যে কেউ কাউকে দিতে পারে তা আজকে প্রথম দেখলাম । তবে ফাইজলামির তো একটা লিমিট থাকা দরকার !নাকি??ম্যাসেজ ব্যাক করলাম
ভাই আপনি যেই হন না কেন আপনার সাথে ফাইজলামি করার প্রতি আমি নট ইন্টারেস্টেড ।কাজেই বিরক্ত করবেন না ।
কিছুক্ষণ পর একটা মেয়েলী ম্যাসেজ আসল ,
আর সারাদিন মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকতে খুব ভাল লাগে না???
এবার একটু ভ্রু কুচকালাম! আমাদের ভার্সিটির কোন ছেলে ফাইজলামি করছে ভেবে আমি জবাব দিলাম না । কিছুক্ষণ পর আরেকটা ম্যাসেজ আসল ,
যার দিকে কালকে সারাদিন তাকিয়ে ছিলে আর আজকে তাকে পাত্তাই দিচ্ছ না?
শিট কেউ কি আমাকে ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ফেলল নাকি? এহ হে! গ্রেইভ মিস্টেক !এবার জিজ্ঞেস করলাম
সত্যি করে বলেন তো কে আপনি?
-আমি কেউ না ।

এরপর আর কোন ম্যাসেজ না দিয়ে মোবাইল অফ করে ঘুমিয়ে গেলাম । এরকম ঢং আমার একদম সহ্য হয় না ।
সকালে মোবাইল খুলতেই দেখি ইনবক্স ফুল হয়ে গেছে । অনেক কিছু যে লেখছে তাও না ।একটা ম্যাসেজ ই ভেঙ্গে ভেঙ্গে লিখেছে ।তুমি এরকম কেন? এই কথাটাই সে লিখেছে
তু
মি




কে

?

এই রকম ভাবে বিশাল একটা ম্যাসেজ পাঠাইল ! যার পাঠ্যোদ্ধার করলাম বহুত কষ্টে ,
তুমি এমন কেন?ক্লাসে আর কারো সাথে তুমি কথা বল না কেন ?এই ক্লাসে প্রথম যেদিন আসি,সেইদিন থেকেই দেখি তুমি কারো সাথে স্বাভাবিক হতে পারো না । কেন? তোমার সমস্যা কোথায় ?তবে চুপি চুপি তো সবার উপরই নজর রাখো ! এভাবে চোরের মত নজর না রেখে সবার সাথে সরাসরি কথা বললেও তো হয়!একটা মানুষ কিভাবে এমন বন্ধু হীন হতে পারে? তুমি আমার বন্ধু হবে?আরে ধুত! তোমাকে তো আমি রিকোয়েস্ট করব না । আজ থেকে আমরা বন্ধু,ঠিক আছে????বা দা ওয়ে,নেইম'স নেলি!কালকে যেন একটা চেইঞ্জড সৈকত কে আমি দেখতে পাই। কথাটা যেন মনে থাকে ।আরেকটা কথা তোমার নাম্বার কই পেলাম এটা জিজ্ঞেস করবা তো ??? ওই যে ফায়ার সার্ভিসের কথা মনে আছে??ওই টার কাছ থেকে জোগাড় করেছি । ওইটা তোমার নাম্বার কোথায় পাইল সেইটা আমাকে জিজ্ঞেস করো না ।আরেকটা কথা,হ্যাপি বার্থ ডে ।

চিঠি টা পড়ে অন্যরকম এক ভালো লাগায় মনটা ভরে গেল ।আমি নিজেও ভুলে গেছি যে আজ আমার বার্থ ডে ছিল । আর আমাকেও যে কেউ এভাবে বলতে পারে তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। বন্ধুর চাইতে বেশি কিছু হয়ত না,কিন্তু আমার বন্ধু দরকার । সত্যিকারের বন্ধু !
 
Top